বন্দুক দিয়ে জঙ্গলমহল কে মমতা শান্ত করেন নি,উন্নয়ন দিয়ে শান্ত করেছে ,সৌগত রায় - The News Lion

বন্দুক দিয়ে জঙ্গলমহল কে মমতা শান্ত করেন নি,উন্নয়ন দিয়ে শান্ত করেছে ,সৌগত রায়

 


দি নিউজ লায়নঃ     বন্দুক দিয়ে জঙ্গলমহলকে শান্ত করেন নি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।তিনি প্রথম সস্তা দরে আদিবাসী পরিবারদের রেশনে চাল দেওয়ার ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন।বিজেপি শাসিত রাজ্যে আধিবাসীদের জন্য যে আইন রয়েছে তা পালিত হচ্ছে না।” বুধবার ঝাড়গ্রাম শহরে আদিবাসী ঐক্য মঞ্চের পক্ষ থেকে আদিবাসী মানুষদের নিয়ে  ঝাড়গ্রাম কেন্দ্রে তৃনমূলের প্রার্থী বিরবাহা হাঁসদার সমর্থনে একটি জন সভার আয়োজন করা হয়।ওই জনসভায়  একথা বলেন তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা সাংসদ সৌগত রায়।এদিন ঝাড়গ্রাম শহরের সার্কাস ময়দানে একটি বিশাল জনসভার ডাক দিয়েছিল আদিবাসী ঐক্য মঞ্চ।


সেই সভায় অন্যতম বক্তা ছিলেন সৌগত বাবু। এদিন সৌগত বাবু এই সভা থেকে ঝাড়গ্রাম কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী সুখময় শতপথির মনোনয়ন পত্র বাতিল করার দাবি তোলেন ঘুষ দেওয়ার অভিযোগে।এদিন তিনি বলেন “ এখানে যে বিজেপি প্রার্থী দাঁড়িয়েছে তার ব্যাপারে একটা জিনিস সারা ভরতবর্ষে ভাইরাল হয়ে গিয়েছে।ও একটা লোককে বলছে এই ভোটের আগের দিন আসিস তোর পাওনা গন্ডা বুঝিয়ে দেব।নির্বাচনি আইনে ঘুষ দেওয়া অন্যায়।আমি দাবি করব বিজেপি প্রার্থী সুখময়ের মনোনয়ন পত্র বাতিল করে দেওয়া হোক।ও ঘুষ দিতে চেয়েছে।


এটা চূড়ান্ত অন্যায়।মুখ্যমন্ত্রীও এই বিষয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছেন।এখানে সিপিএমের প্রার্থী নিয়ে বলতে চাই না।সে এখানকার মেয়ে হলেও কলকাতায় থাকত।এখন এসে ঘোরাঘুরি করছে।ঝাড়গ্রামের মাটির মেয়ে যদি বলা যায়  বীরবাহা হাঁসদাকে।তিন পুরুষ ধরে ঝাড়গ্রামে আছে।তৃণমূল একমাত্র দল ঝাড়গ্রাম আসন জেনারেল শিট এখানে আদিবাসী প্রার্থী দিয়েছি।কারন ঝাড়গ্রামের চারটে আসন আদিবাসীদের পাওয়া উচিত।বিজেপি শাসিত রাজ্যে আদিবাসীদের জন্য যে সব আইন রয়েছে তা পালিত হচ্ছে না।


ছত্তিশগড়ে শিল্পপতি আদবানি,আদানি জোর করে আদিবাসীদের জমি কেড়ে নিচ্ছিল।কারন সেখানে বাকসাইট পাওয়া যায়।তা থেকে অ্যালুমিনিয়াম পাওয়া যায়।বেদান্ত কোম্পানি সেগুলি দখল করছিল।অনেক আদিবাসী মাওবাদী দলে চলে গিয়েছিল।পশ্চিমবঙ্গে ঝাড়খন্ডের মাওবাদীদের আমরা নিয়ন্ত্রন করেছি।২০১১ সালে আমরা ক্ষমতায় এসেছি।তখন কিষেনজি বেঁচে ছিল।তখন সব জায়গায় মাওবাদীদের ভয় ছিল।


মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বন্দুক দিয়ে ঝাড়গ্রাম কে শান্ত করেন নি।তিনি গরীব আদিবাসী পরিবারদের জন্য সস্তা দরে রেশন দেবার ব্যবস্থা করেছিলেন প্রথম। তিনি আদিবাসী ছেলে মেয়েদের জন্য পুলিশ ,এনভিএফে চাকরি দিয়েছিলেন।এখানে আধিবাসীদের জন্য স্পোর্টস অ্যাকাডেমি করেছেন।” এদিন ঝাড়গ্রামের আদিবাসী সমাবেশ মঞ্চ থেকে রাজ্যের সরকার ঝাড়গ্রাম জেলা আদিবাসী মানুষজনদের জন্য কি ধরনের পরিষেবা দিয়েছেন তা তুলে ধরেন। 


সেইসঙ্গে কাঁথির অধিকারী পরিবারকে বেইমান ঠকবাজ। আখ্যা দিয়ে তিনি শুভেন্দু অধিকারী ও শিশিরঅধিকারীর তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন বেইমানদের নাম কেউ মনে রাখে না। কিন্তু যারা ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিল সেই সিধু কানু বিরসা মুন্ডার কথা আজও মানুষ মনে রেখেছে তাদের জায়গা হয়েছে ইতিহাসের পাতায়। কিন্তু ওই গদ্দার বেইমানদের মানুষ আগামী দিনে আস্তাকুড়ে ছুঁড়ে ফেলে দেবে। তাই তিনি ঝাড়গ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেসের মনোনীত প্রার্থী অভিনেত্রী বিরবাহা হাঁসদা কে জোড়া ফুলে ভোট দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নের হাতকে শক্তিশালী করে তোলার জন্য আহ্বান জানান।

কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.